২. হুইলচেয়ারের রক্ষণাবেক্ষণ পদ্ধতি
প্রথমত, হুইলচেয়ারের বোল্টগুলো ঢিলা আছে কিনা তা পরীক্ষা করার জন্য হুইলচেয়ারটি নিয়মিত দেখতে হবে। যদি সেগুলো ঢিলা থাকে, তবে সময়মতো সেগুলো শক্ত করে লাগাতে হবে। হুইলচেয়ারের স্বাভাবিক ব্যবহারে, সমস্ত অংশ ভালো অবস্থায় আছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য সাধারণত প্রতি তিন মাস অন্তর পরীক্ষা করা প্রয়োজন। হুইলচেয়ারের সব ধরনের শক্ত নাট (বিশেষ করে পেছনের অ্যাক্সেলের ওপরের নাটগুলো) পরীক্ষা করুন। যদি সেগুলো ঢিলা পাওয়া যায়, তবে সময়মতো সেগুলো ঠিক করে শক্ত করে লাগাতে হবে, যাতে যাত্রার সময় স্ক্রু ঢিলা হয়ে যাওয়ার কারণে রোগীর কোনো আঘাত না লাগে।
২. ব্যবহারের সময় বৃষ্টিতে হুইলচেয়ার ভিজে গেলে, সময়মতো তা মুছে শুকিয়ে নেওয়া উচিত। সাধারণ ব্যবহারের সময়ও হুইলচেয়ারটি একটি নরম শুকনো কাপড় দিয়ে ঘন ঘন মোছা উচিত এবং এটিকে উজ্জ্বল ও সুন্দর রাখতে মরিচা-রোধী মোমের প্রলেপ দেওয়া উচিত।
৩. সর্বদা হুইলচেয়ারের নমনীয়তা পরীক্ষা করুন এবং লুব্রিকেন্ট প্রয়োগ করুন। হুইলচেয়ার নিয়মিত পরীক্ষা না করা হলে, এর নমনীয়তা কমে যাওয়ার কারণে রোগীর শারীরিক ব্যায়াম এবং জীবনযাত্রা ব্যাহত হবে। তাই, হুইলচেয়ারের নমনীয়তা নিশ্চিত করার জন্য এটি নিয়মিত পরীক্ষা করা এবং তারপর লুব্রিকেন্ট প্রয়োগ করা উচিত।
৪. হুইলচেয়ার নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত। হুইলচেয়ার রোগীদের ব্যায়াম এবং বিভিন্ন কার্যকলাপে অংশগ্রহণের জন্য একটি বাহন, যা রোগীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, ঘন ঘন ব্যবহারের ফলে হুইলচেয়ার নোংরা হয়ে যায়, তাই এর পরিচ্ছন্নতা ও পরিপাটিভাব নিশ্চিত করতে এটি ঘন ঘন পরিষ্কার করা উচিত।
৫. হুইলচেয়ারের সিট ফ্রেমের সংযোগকারী বোল্টগুলো ঢিলা হয়ে গেছে এবং এগুলো টাইট করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
আচ্ছা, হুইলচেয়ারের সাধারণ ত্রুটি এবং রক্ষণাবেক্ষণের পদ্ধতিগুলো তুলে ধরা হলো। আশা করি এটি আপনাদের সাহায্য করবে, ধন্যবাদ।