মূল বৈশিষ্ট্য
১. অতি হালকা নকশা
ওজন ১০ কেজি বা তার কম (কিছু মডেলের জন্য মাত্র ৭ কেজি), যা এয়ারলাইনের হাতে বহনযোগ্য ব্যাগেজের মানদণ্ড মেনে চলে (কেবিনের ভেতরে আনা যাবে)।
বিমান চালনার জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম অ্যালয় উপাদান (যেমন 6061-T6), উচ্চ শক্তি এবং ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন।
২. এক স্পর্শে ভাঁজ + অত্যন্ত পাতলা সংরক্ষণ
ভাঁজ করার পর এর পুরুত্ব ২০ সেন্টিমিটারের কম, যা বিমানের লাগেজ র্যাকে বা সিটের নিচে রাখা যায়।
কিছু মডেল ব্যাকপ্যাকে বহন করা যায় (যেমন কারমান আরগো লাইট)। ৩.
৩. বিমান ভ্রমণের জন্য অভিযোজিত নকশা
সংকীর্ণ হুইলবেস (≤৬০ সেমি): কেবিনের করিডোরের প্রস্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অপসারণযোগ্য পাদানি: বিমানে ওঠার সময় ধাক্কা লাগা এড়ানো যায়।
আঁচড়রোধী চাকার রিম: বিমানের অভ্যন্তরভাগকে সুরক্ষিত রাখে।
প্রযোজ্য পরিস্থিতি
✔ ঘন ঘন বিমানযাত্রী: প্রতিবন্ধী, বয়স্ক, অস্ত্রোপচার-পরবর্তী পুনর্বাসনকারী।
✔ চেক-ইন করার প্রয়োজন নেই: লাগেজ পেতে দেরি হওয়ার ঝুঁকি এড়াতে সরাসরি বোর্ডিং।
✔ ভ্রমণের অতিরিক্ত জিনিসপত্র: নিজস্ব গাড়িতে ভ্রমণ, দ্রুতগতির রেল এবং অন্যান্য পরিবহনের জন্য হাতে বহনযোগ্য।
বিমান চালনার হুইলচেয়ার বনাম সাধারণ হুইলচেয়ার
| তুলনা আইটেম | বিমান চালনার হুইলচেয়ার | সাধারণ হুইলচেয়ার |
| ওজন | ≤১০ কেজি (বোর্ডে ওঠার যোগ্য) | সাধারণত ১২-১৮ কেজি (চেক ইন করতে হবে) |
| ভাঁজ করা মাত্রা | ≤২০ সেমি পুরু | ≤৬০ সেমি চওড়া, বেশি পুরু (৩০ সেমি+) |
| হুইলবেস | ≤৬০ সেমি (সংকীর্ণ পথের জন্য উপযুক্ত) | আদর্শ প্রস্থ (৬৫ সেমি+) |